ইনসাফ কায়েমকারী ছাত্র-শ্রমিক-জনতা
বৈষম্য ও জুলুম দূর করে সারা কায়িনাতে ইনসাফ কায়েমে বদ্ধ পরিকর
:
প্রাণপ্রিয় নবীজী ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার এবং পবিত্র দ্বীন ইসলাম অবমাননাকারীদের মৃত্যুদণ্ড, মুসলিম দেশগুলোর পৃথক জোট গঠন ও জাতিসংঘ বর্জনের দাবিতে এবং গ্রামীণ প্রতিষ্ঠানের কর মওকুফ বাতিলের লক্ষ্যে ইনসাফ কায়েমকারী ছাত্র-শ্রমিক-জনতার বিক্ষোভ সমাবেশ
আজ ১৭ এপ্রিল রাজধানী ঢাকার মালিবাগ মোড়ে ফালইয়াফরাহু চত্বরে ‘ইনসাফ কায়েমকারী ছাত্র-শ্রমিক-জনতা’র উদ্যোগে এক বিশাল প্রতিবাদী জনসমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে। সমাবেশে বক্তারা দেশের সংখ্যাগরিষ্ঠ মানুষের ধর্মীয় অনুভূতি রক্ষা, মুসলিম উম্মাহর স্বকীয়তা বজায় রাখা এবং রাষ্ট্রীয় অর্থ তছরুপ বন্ধের দাবিতে নিম্নলিখিত ৩ দফা দাবি উত্থাপন করেন।
আমাদের আজকের সমাবেশের মূল ৩টি দাবি:
১। ইসলাম অবমাননাকারীদের শাস্তিতে ‘মৃত্যুদণ্ড’ আইন প্রণয়ন:
সমাবেশে সংগঠনের আহবায়ক আরিফ আল খবীর বলেন, বাংলাদেশ মুসলিম প্রধান দেশ। এখানে বারবার প্রিয় নবীজী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মুবারক শানে কটাক্ষ এবং পবিত্র দ্বীন ইসলামের অবমাননা করা হচ্ছে। ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাতকারীদের রুখতে পবিত্র দ্বীন ইসলাম অবমাননাকারীদের একমাত্র শাস্তি হিসেবে ‘মৃত্যুদণ্ড’ আইন পাস করতে হবে এবং তা দ্রুত কার্যকর করতে হবে।
২। জাতিসংঘ বর্জন ও মুসলিম দেশগুলোর পৃথক জোট ও মুদ্রা গঠন:
সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক কাজী আহমদ ইহুদি নিয়ন্ত্রিত জাতিসংঘকে মুসলমানদের স্বার্থবিরোধী সংস্থা হিসেবে আখ্যা দিয়ে তা বর্জনের ডাক দেন। বাংলাদেশ-ইরান-তুরস্ক-পাকিস্তানসহ বিশ্বের সকল মুসলিম দেশ নিয়ে একটি শক্তিশালী পৃথক সামরিক ও অর্থনৈতিক জোট গঠনের জোর দাবি জানানো হয়। বক্তারা বলেন, ডলারের আধিপত্য ভাঙতে এবং মুসলিম উম্মাহর অর্থনৈতিক মুক্তি নিশ্চিত করতে মুসলমানদের জন্য পৃথক মুদ্রা প্রচলন করতে হবে। সারা দুনিয়ার মুসলমানদের এক হওয়ার এখনই সময়।
৩। গ্রামীণ প্রতিষ্ঠানের ৬৬৬ কোটি টাকা কর মওকুফ ও বিশ্ববিদ্যালয়ের অনুমোদন বাতিল:
সংগঠরনের নেতা ফরহাদ আলম বলেন, অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধানের ব্যক্তিগত সংশ্লিষ্টতা থাকা প্রতিষ্ঠানের ৬৬৬ কোটি টাকার কর মওকুফের সিদ্ধান্তকে অনৈতিক ও জনগণের অর্থের লুটপাট হিসেবে অভিহিত করেন বক্তারা। তারা অবিলম্বে এই কর মওকুফের সিদ্ধান্ত বাতিল করার দাবি জানান। সেই সঙ্গে ‘গ্রামীণ বিশ্ববিদ্যালয়’ বা এ জাতীয় প্রতিষ্ঠানের অনুমোদন বাতিল করে দেশের শিক্ষা ব্যবস্থাকে বিজাতীয় ও সুদী সংস্কৃতি থেকে মুক্ত করার আহ্বান জানানো হয়।
জাতীয় স্বার্থ ও দ্বীনি মূল্যবোধের বিরুদ্ধে যায় বা জনগণের উপরে জুরুম হয়—এমন সব থরণের চুক্তি এবং কার্যক্রম বাতিল করতে হবে।
সমাবেশে উপস্থিত থেকে আলোচনা করেন- ইনসাফ কায়েমকারী ছাত্র-শ্রমিক-জনতার আহবায়ক মুহম্মদ আরিফ আল খবীর, সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক কাজী আহমদ, সাংগঠনিক সম্পাদক মুহম্মদ ফরহাদ আলম প্রমুখ। বিশেষ দোয়া ও প্রতিবাদ মিছিলের মাধ্যমে সমাবেশের কর্মসূচি সমাপ্ত হয়। দোয়ায় মুসলিম উম্মাহর হেফাজত, দেশ ও জাতির কল্যাণ এবং সকল অপশক্তির ধ্বংস কামনা করা হয়।
বার্তা প্রেরণে- বার্তা সম্পাদক, ইনসাফ কায়েমকারী ছাত্র-শ্রমিক-জনতা।
হাতিফ: আহবায়ক: +8801883018463; বার্তা সম্পাদক +880 1720-349639, +880 18 660 59273
